শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: আইন সবার জন্যই সমান - এমন কথা জানালেও বাস্তবিক তা কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে নাগরিক মহলে। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্য জুড়ে শুরু হতে চলেছে ধর্মস্থান থেকে মাইক খোলার কাজ। সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নওশাদ সিদ্দিকির (Naushad Siddiqui) অভিযোগ, কোনও নোটিস ছা়ড়াই মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া হচ্ছে। কেন মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠান, অসিত মাল এবং শতাব্দী রায়রা। এবার এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু জানান, এটা কোনো নতুন আইন নয়, অনেকদিন আগের থেকেই ছিল। কিন্তু ভোট বাক্সের দিকে তাকিয়ে আগের দুই সরকার তা প্রয়োগ করে নি।
শুভেন্দু বলেন, শুধু মসজিদ নয়, মন্দিরের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম বজায় থাকবে। শুভেন্দু বলেন, “২০২০ সালের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল। এখন কেন মসজিদ বলা হচ্ছে, মন্দিরের নাম কেন বলা হচ্ছে না? ধর্মীয় স্থান মানে তো মসজিদ, মন্দির সব হতে পারে।” মসজিদ ও মন্দির থেকে কতগুলি মাইক সরানো হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, ” ২০২০ সালে নির্দেশই মেনেই কাজ করছে পুলিশ। মোট ৪ হাজার ২০৩ মসজিদ থেকে মাইক সরানো হয়েছে। আর মন্দির থেকে ১,০৯৬ মাইক সরানো হয়েছে।”প্রসঙ্গত, মসজিদ থেকে মাইক খোলা নিয়ে সরব হয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর অভিযোগ, কোনও লিখিত নোটিস ছাড়াই স্থানীয় পুলিশ বিভিন্ন মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার সরিয়ে দিচ্ছে। তাঁর দাবি, কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে মাইক নামানো নয়, বরং শব্দমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তারপরেও কেন মাইক খোলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
